ঢাকা : বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯

সংবাদ শিরোনাম :

  • দ্বীপ ও চরাঞ্চলে পৌঁছাচ্ছে ইন্টারনেট          দুদকের মামলায় সম্রাটের ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর          এয়ার শো’তে যোগ দিতে দুবাইয়ে প্রধানমন্ত্রী           সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে : স্পিকার          রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর          বাংলাদেশে আইএস বলে কিছু নেই : হাছান মাহমুদ
printer
প্রকাশ : ০৩ জুলাই, ২০১৯ ১৬:৩৭:৩২আপডেট : ০৩ জুলাই, ২০১৯ ১৬:৪২:৪১
প্রধানমন্ত্রীর উপর হামলার রায়ে ৯ জনের ফাঁসির আদেশ
মনিরুজ্জামান মুন্না, পাবনা


 


ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে বহনকরা ট্রেনে হামলার ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।
১৯৯৪ সালে ২৩শে সেপ্টেম্বর  তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় কর্মসূচীতে ট্রেনযোগে খুলনা থেকে সৈয়দপুর যাচ্ছিলেন। পথে ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন ষ্টেশনে তাকে বহনকারী ট্রেনটি যাত্রা বিরতী করলে ঐ ট্রেনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কামড়া লক্ষ্য করে এলোপাথারী গুলিবর্ষণ করা হয়।
পাবনার ঈশ্বরদীর বহুল আলোচিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ট্রেনবহরে গুলিবর্ষণ  মামলায় বিএনপির ৫২ জন নেতাকর্মীকে আসামী করা হয়।.

আজ ৩ জুলাই বুধবার পাবনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রুস্তম আলী ৯ জনের ফাঁসির আদেশ, ২৬ জনকে যাবৎজীবন কারাদন্ড ও ১৩ জনকে ১০ বছরের কারাদন্ড দেন। এর মধ্যে ৫ জন আসামী মৃত্যুবরণ করেছেন। মামলার রায় ঘোষনার সময় আদালতে ৩২ জন আসামী উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ৩০ জন আসামী আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। তবে আদালত বিএনপির ৩০ জন নেতাকর্মীর জামিন নামঞ্জুর করে তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এসময় ২২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করা হয়। পাবনার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-১ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক রুস্তম আলী এই রায় দেন এবং আজকে ০৩ জুলাই ২০১৯ ইং বুধবার মামলার রায় এর তারিখ নির্ধারণ করেন।
সাজাঁপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মকলেছুর রহমান বাবলু, সাবেক সাধারন সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক পেনেল মেয়র সামছুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক  সাধারন সম্পাদক আলাউদ্দিন বিশ্বাস, পাবনা জেলা বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা বিষিয়ক সম্পাদক কে.এম আখতারুজ্জামান আক্তার, পাকশীর সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, সাহাপুরের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নেছাউর রহমান রাজু, সাবেক ছাত্রনেতা মাহাবুবুর রহমান পলাশ, রেজাউল করিম শাহিন, আজিজুর রহমান শাহিন, সেলিম আহম্মেদ, পৌরসভার কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন জনি, বিএনপি নেতা ইসলাম হোসেন জুয়েল, শহিদুল ইসলাম অতল, আব্দুল জব্বার প্রমুখ। আসামীদের মধ্যে গত ২৫ বছরে ওসিয়া আলী আজগর খোকন, তুহিন ও আলমগীরসহ ৫জন মৃত্যুবরণ করেন।
এই ঘটনায় ঈশ্বরদীর জিআরপি থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেন। পুলিশ ১ মাসের মধ্যে ঘটনার তদন্ত শেষ করে মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে ১৯৯৬ সালে আওয়ামীলীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর পাবনা কগনাইজিং আদালত-২ এর তৎকালীন বিচারক মোঃ তোফাজ্জল হোসেন স্বপ্রণোদিত হয়ে মামরাটি পুনঃতদন্তের জন্য সিআইডিতে পাঠান। সিআইডি মামলাটি তদন্ত করে ৫২ জনকে আসামী করে প্রতিবেদন দাখিল করে।
এই রায় সম্পর্কে জানতে চাইলে পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক এ্যাডঃ আব্দুল আহাদ বাবু বলেন, “পাবনাবাসী আজ কলঙ্কমুক্ত হলো। এই রায় যত দ্রুত সম্ভব কার্যকর আহ্ববান জানান সরকারের প্রতি।”

printer
সর্বশেষ সংবাদ
জাতীয় পাতার আরো খবর

Developed by orangebd