ঢাকা : শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

সংবাদ শিরোনাম :

  • পবিত্র আশুরা ১০ সেপ্টেম্বর          ডিএসসিসির ৩,৬৩১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা          রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর          সংলাপের জন্য ভারতকে ৫ শর্ত দিল পাকিস্তান          এরশাদের শূন্য আসনে ভোট ৫ অক্টোবর          বাংলাদেশে আইএস বলে কিছু নেই : হাছান মাহমুদ
printer
প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৮:১২:৫৩আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৫:৩৩:৫৬
চীনা ফন্দি-ফিকির, বাঘবন্দী বাংলাদেশ
করীম রেজা


 


দাবার গুটি চালের মতো, নাটক-চলচ্চিত্রের মতো সাজানো দৃশ্য যেন।  মূলা ঝুলবে, বাংলাদেশ নয় শুধু- সমগ্র বিশ্ব  টলবে। ঘটনা একটার পর একটা ঘটবে। বাস্তবে হলোও তাই।  মিয়ানমার একতরফাভাবে প্রত্যাবাসনের তারিখ ঘোষণা করল।  বাংলাদেশও রাজি হলো, প্রস্তুতি নিতেও দেরি করল না।  কিন্তু রোহিঙ্গারা  যেতে চাইলো না।  মিয়ানমার ব্যর্থতার দায় চাপালো বাংলাদেশের উপর। এই সুযোগে চীন তৃতীয় পক্ষ হয়ে মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দিল।  বাংলাদেশ সেই প্রস্তাব মেনে নেওয়ায় মিয়ানমার কঠোর সমালোচনা থেকে রেহাই পেল। জাতিসংঘ অধিবেশনে মিয়ানমারের বিপক্ষে আঙুল তুলে জোর গলায় অভিযুক্ত করার সুযোগ এরপর আর থাকল না।  চীন এবং মিয়ানমার পূর্ব পরিকল্পনা মতোই  সমস্ত অভিযোগের বোঝা ঘাড় থেকে নামাবার সুযোগ পেল।
 চীন রোহিঙ্গা বল নিয়ে মাঠে রেফারির ভূমিকায়। উদ্দেশ্য আসন্ন জাতিসংঘ অধিবেশনে রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে আবারও ব্যর্থ মিয়ানমারের মুখ রক্ষা করা।     বাংলাদেশ বরাবরের মতোই চীনের দেওয়া টোপ গিলে নিয়েছে। রোহিঙ্গা সংকটে বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্র যেন বাংলাদেশের পক্ষে ভূমিকা নিতে না পারে, তার জন্যই চীনের এই পদক্ষেপ।
২৫ আগস্ট প্রায় ৫ লক্ষ রোহিঙ্গা জনসমাবেশের এক সপ্তাহ পার না হতেই চীন বাংলাদেশকে এই প্রস্তাব দিয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো রকম পূর্ব আলোচনা ছাড়া একতরফা ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসনের তারিখ নির্ধারণ অসৎ পরিকল্পনার অংশ। একজনও রোহিঙ্গা ফেরত না যাওয়ায়, সঙ্গে সঙ্গেই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে মিয়ানমার তা বাংলাদেশের ব্যর্থতা বলে প্রচার করে। পরিস্থিতি দেখে মনে হয় আগে থেকেই সব ছক কাটা ছিল। কেননা চীন কালবিলম্ব না করে মধ্যস্থতার প্রস্তাব করে। কেন, এতদিন কোথায় ছিলেন? শুধুই কি শেখ হাসিনার সফরের প্রতিফল?
আগেও বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সমস্যায় চীনের কৌশলের কাছে নিজেকে সমর্পণ করেছে। প্রথম থেকেই চীন দ্বিপক্ষীয় সমাধানের পক্ষে। যেন বিশ্ববাসীর দৃষ্টি ভিন্নখাতে যায়। বাংলাদেশ চীনের চাপে হোক অথবা কূটনৈতিক দুর্বলতায়ই হোক, একটি অসম, অবাস্তব এবং মিয়ানমারের শতভাগ স্বার্থ রক্ষাকারী ও স্বেচ্ছাচার মূলক চুক্তি মেনে নেয়।   
গত বছর ১৫ নভেম্বরের পর, ২২ আগস্ট একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলো। রোহিঙ্গা সংকটে চীন কখনোই ন্যায়, মানবিক, সমাধানযোগ্য, সদিচ্ছা দেখায়নি। চীন বার বার ভেটো প্রয়োগ ও প্রকাশ্যে বিরোধিতা করেছে। চাপ দিয়ে চুক্তি করিয়েছে। অন্তরালে থেকে প্রত্যাবাসন নাটক করিয়েছে দুই-দুইবার। একই দিনে মিয়ানমারে চীনা রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গা সমস্যায় যেকোনো আন্তর্জাতিক চাপের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের পক্ষে থাকার আশ্বাস দিয়েছে প্রকাশ্যে।
বাংলাদেশে সরকারি ছুটির সময়ে মিয়ানমারের পক্ষ থেকে রয়টার্স-এর মাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হবে ২২ আগস্ট। বাংলাদেশ বিষয়টি প্রশ্নহীনভাবে সরল সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে তড়িঘড়ি সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন করে। রোহিঙ্গাদের অনিচ্ছায় তা পরিত্যক্ত হয়। যদিও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থার প্রত্যাবাসনবিরোধী প্রচারণাও সক্রিয় ছিল বলে জানা যায়।
প্রত্যাবাসন কাজে প্রকৃত কূটনৈতিক কৌশল গ্রহণে যথেষ্ট বুদ্ধিমত্তা, সাহসের পরিচয় পাওয়া যায় না। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিয়ানমারের উপর আন্তর্জাতিক  চাপ বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন।  চোর গেলে বুদ্ধি বাড়ে, বাংলাদেশের তেমন অবস্থা। এখন বাংলাদেশ বিশ্ব জনমতের কার্যকর ব্যবহার করতে চায়।  সময়মতো এই কাজটি বাংলাদেশ করেনি। তুরস্ক, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন যখন যথেষ্ট জোরালোভাবে রোহিঙ্গা সমস্যায় বাংলাদেশের পক্ষ নিয়ে উচ্চকণ্ঠ ছিল, সহযোগিতা করতে এগিয়ে এসেছে-বাংলাদেশ তখন দ্বিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সমর্থন ও সহযোগিতা অবজ্ঞা করেছে। এখন বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কামনা করছে। প্রত্যাশা করছে মিয়ানমারের উপর নানারকম চাপ সৃষ্টি করে যেন রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে দিতে পারে।
উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে প্রতিবেশীসুলভ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ঠিক রাখতে বাস্তবতাবর্জিত বিশ্বাসে তৎকালীন খাদ্যমন্ত্রীকে সস্ত্রীক মিয়ানমারে পাঠানো হয়। বারবার মিয়ানমার সেনাবাহিনী আন্তর্জাতিক সীমা লঙ্ঘন করলেও বাংলাদেশ জোরালো প্রতিবাদ ও ব্যাপক প্রচারণা থেকে বিরত থাকে। সীমান্ত বাণিজ্য চালু রাখে। অতিসম্প্রতি কোরবানি ঈদ উপলক্ষে মিয়ানমার থেকে গবাদিপশু আমদানি করে।  
বাংলাদেশ নমনীয়, বিপরীতে মিয়ানমার কৌশলগত অবস্থান আরো শক্ত করেছে। অতীতে পৃথিবীর বেশ কিছু দেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ বার্মার বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপ করেছে। অবরোধ কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নয় তা প্রমাণিত হওয়ার পরেও বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মাধ্যমে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের চেষ্টার পাশাপাশি বহুপাক্ষিক, আন্তর্জাতিক, জাতিসংঘ সংশ্লিষ্ট উপায়সমূহ ব্যবহারে যথাযথ আন্তরিক ছিল না। দুই পক্ষের মাধ্যমে সমাধান আলোচনা চালিয়ে যাওয়া মানেই অন্যান্য অপশন, সম্ভাবনা ও সুযোগ অকার্যকর করে রাখা নয়। সেই বিভ্রান্তি বাংলাদেশ সৃষ্টি করেছে। আন্তর্জাতিক আদালতে মতামত দিতেও বাংলাদেশ অযথা বিলম্ব করেছে।
ইসরায়েলের মতো একই রকম ভূমিকা নিয়ে মিয়ানমার রাখাইন অঞ্চল থেকে রোহিঙ্গাদের ঝেঁটিয়ে বিদায় করেছে। মূলত বাংলাদেশ সীমান্তে কক্সবাজার অঞ্চলে আরেকটি ফিলিস্তিনের মতো পরিবেশ সৃষ্টি করাই মিয়ানমার, চীন, ভারত, জাপান ও রাশিয়ার মূল পরিকল্পনা। ভূ-রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে যে সমস্ত যুক্তি দেওয়া হচ্ছে তা থেকেও তাদের এই পরিকল্পনা অত্যন্ত পরিষ্কার।  মনে রাখা দরকার, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশে থেকে যাওয়া পাকিস্তানিদের এখনও বাংলাদেশ ফেরত পাঠাতে পারেনি। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো অচিরেই ভারত আসাম রাজ্য থেকে বাঙালি খেদাও শুরু করবে।  
বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সংকটে গোয়েন্দা ব্যর্থতা সীমাহীন। কয়েকদিন আগে ৫ লক্ষ রোহিঙ্গা জনসমাবেশের কোনো গোয়েন্দা তথ্য রাষ্ট্রীয় কোনো সংস্থার কাছে ছিল না। তেমনিভাবে ১৯৮২ সালে যখন রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব রহিত করা হলো, সেই তথ্য বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থার কাছে ছিল না। অথবা এর পরিণতি কি হতে পারে সেজন্য সীমান্ত সন্নিহিত দেশ হিসেবে বাংলাদেশের কোনো প্রস্তুতিও ছিল না। ২০১৭ সালের আগস্টে যখন রাখাইনে তথাকথিত আরসা নাটকের মাধ্যমে রোহিঙ্গা নিধন শুরু হয় তারও আগাম কোনো গোয়েন্দা তথ্য বাংলাদেশের কাছে ছিল না।
জানা যায় না, ১৯৮২ সালে বংশপরাম্পরায় হাজার বছর ধরে বসবাস করা একটি জাতিগোষ্ঠীকে রাষ্ট্রহীন করার সময় কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা  কেন সামান্যতম প্রতিবাদ করেনি। জাতিসংঘও রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার প্রতিবাদে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।   
বাংলাদেশ নেহায়েতই মানবিকতরা প্রশ্নে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে।  গত ২৫ তারিখের জনসমাবেশে নাগরিকত্বসহ অন্যান্য দাবি-দাওয়ার কথা উচ্চারিত হলেও, একবারও আশ্রিত রোহিঙ্গা নেতাদের মুখে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি, জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা সূচক শব্দ উচ্চারিত হয়নি। অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে কর্মরত কোনো সাহায্য সংস্থা তাদেরকে বাংলাদেশের প্রতি কোনো কৃতজ্ঞতাবোধের সবক দেয়নি। যদিও তাদেরকে শিখিয়েছে বিভিন্ন অধিকারের দাবি মিয়ানমারের কাছে না তুলে, তুলতে হবে বাংলাদেশের কাছে। এদের আশ্রয় দেওয়া যেন বাংলাদেশের অপরাধ, জনগণের দায়। কথায় কথায় বলা হয়- সমস্যাটি মিয়ানমার সরকার তৈরি করেছে, সমাধান মিয়ানমারকে করতে হবে। বলা হলেও কোনো কার্যকর উদ্যোগ আজ পর্যন্ত কেউ গ্রহণ করেনি।  রোহিঙ্গা সংকটের পর সময়ে সময়ে রাখাইনে অস্থিরতা সৃষ্টি করা হয় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে, কেন?   
আমরা বাংলাদেশের জনগণ কোনোভাবেই এমন দুরাশা নিকট ভবিষ্যতে দেখি না যাতে রোহিঙ্গারা সহজেই ফিরে যাবে। ফিরে যাওয়ার বেলায় রোহিঙ্গাদের মধ্যে এক ধরনের যুক্তিসঙ্গত অনিশ্চয়তা রয়েছে যা অত্যন্ত বাস্তব। রোহিঙ্গারা যেমন দলে দলে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে, তাদের ফেরত যাওয়ার বেলায় ১০০-২০০ এরকম সামান্য সংখ্যায় ফেরত যাওয়া তাদের জন্য কোনোভাবেই নিরাপদ নয়। একসঙ্গে দলে দলে হাজার হাজার ফিরে গেলে, ফিরে যাওয়ার মধ্যে এক ধরনের নিরাপত্তাবোধ থাকবে। দু-চার হাজার লোকের সঙ্গে যে আচরণ করা সম্ভব হাজার হাজার লোকের সঙ্গে তা সম্ভব নয়। পাশাপাশি দরকার রোহিঙ্গারা ফিরে যাওয়ার পরে তাদের নিরাপত্তা ও সামাজিক ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থার সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং জাতিসংঘের তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করা। তা না হলে রোহিঙ্গারা কোনোভাবেই মিয়ানমারে ফিরে যেতে উৎসাহিত হবে না।
এখন পর্যন্ত মিয়ানমার রাখাইন অঞ্চলে জাতিসংঘ কিংবা আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থার প্রতিনিধিদের প্রবেশ ও অবাধ চলাফেরায় অনুমতি দেয়নি। সেখানের বাস্তব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার কোনো সুযোগ নেই। সেখানে ফিরে গিয়ে বসবাস করার মতো পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, যেন রোহিঙ্গারা আশ্বস্ত হতে পারে তেমন উদ্যোগ মিয়ানমারকে নিতে হবে।  
আন্তর্জাতিক সমাজের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে নিরবচ্ছিন্ন কোনো উদ্যোগ অথবা কর্মসূচি নেই শুধুমাত্র বক্তৃতা-বিবৃতি ছাড়া। বাংলাদেশে অবস্থিত রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন ছাড়া কার্যকর কোনো জোরালো ভূমিকা নেই।  এমতাবস্থায় কথিত ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগের সমাধানের আশা করা বাতুলতা। কারণ চীন প্রকাশ্যভাবে মিয়ানমারের পক্ষশক্তি। স্বাভাবিকভাবেই চীন কৌশল প্রয়োগ করে মিয়ানমারের মুখ রক্ষা করবে। রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়া বিলম্বিত করবে। আলোচনার নামে সময় ক্ষেপণ হবে। বোঝা বাংলাদেশের ঘাড়েই থাকবে।
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের জন্য দরকার আন্তর্জাতিক বহুপক্ষীয় উদ্যোগ।  রোহিঙ্গাদের ফেলে আসা ঘরবাড়ি, জায়গা জমি ফেরত পাওয়া এবং সেই পুরনো জায়গা জমিতেই তাদেরকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা। প্রসঙ্গক্রমে রোহিঙ্গাদের মনে এই ধারণাও সৃষ্টি করতে হবে যে, তারা নিজেদের বাড়িতে ফিরে গিয়ে, সুসংগঠিত শান্তিপূর্ণ উপায়ে তাদের দাবি-দাওয়া আদায়ে ভূমিকা নিতে পারবে। তাই হবে সঠিক উপায় এবং উপযুক্ত স্থান, কোনোভাবেই বাংলাদেশ নয়। তখন আন্তর্জাতিক বিশ্ব এবং জাতিসংঘ তাদের পাশে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের রূপরেখার অন্যতম প্রস্তাব একটি নিরাপদ অঞ্চল সৃষ্টি কওে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনীর তত্ত্বাবধানে রোহিঙ্গাদের দ্রুত ফিরিয়ে নেওয়ার বিকল্প নেই আপাতত।
রোহিঙ্গা ফিরে যাওয়া প্রসঙ্গে ভারত, মিয়ানমার মুখে যাই বলুক, প্রকৃত সমাধান কোনোভাবেই তাদের কাম্য নয়। শেখ হাসিনা বা কফি আনান কারো ফর্মুলা তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়, নিজেদের ফর্মুলা ছাড়া। জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে আন্তর্জাতিক বহুমাত্রিক চাপ প্রয়োগের দ্বারাই মিয়ানমারকে বাধ্য করতে হবে রোহিঙ্গাদের মর্যাদার সঙ্গে ফিরিয়ে নিয়ে পুনর্বাসিত করতে।
লেখক : কবি ও শিক্ষাবিদ, ই-মেইল : karimreza9@gmail.com

printer
সর্বশেষ সংবাদ
মুক্ত কলম পাতার আরো খবর

Developed by orangebd