ঢাকা : শনিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯

সংবাদ শিরোনাম :

  • একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ প্রকৌশলীর বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি          রাজধানীর ৬৪ স্থানে বাস স্টপেজ নির্মাণ হবে : কাদের          ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ৩ কোটি যুবকের কর্মসংস্থানের হবে : অর্থমন্ত্রী          দ্বীপ ও চরাঞ্চলে পৌঁছাচ্ছে ইন্টারনেট           সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে : স্পিকার          রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর          বাংলাদেশে আইএস বলে কিছু নেই : হাছান মাহমুদ
printer
প্রকাশ : ২৪ অক্টোবর, ২০১৯ ১২:৫২:০৪
পাঠাও ও এটুআই এর যৌথ উদ্যোগ


 


সড়ককে নিরাপদ করার আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০১৭ সালে ২২ অক্টোবরকে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। সড়ক নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে দেশের সর্ববৃহৎ অন-ডিমান্ড ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম পাঠাও লিমিটেডে এবং আইসিটি সেবা প্রদানকারী সংস্থা একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) সম্মিলিতভাবে “সেফটি ফার্স্ট” ইভেন্টটি আয়োজন করেছে।
সড়ক দূর্ঘটনা কারো কাছেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাই সড়ককে নিরাপদ করার পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। এছাড়া সাধারণ মানুষকে রাস্তা পারাপারের ক্ষেত্রে ফুট ওভারব্র্রিজ, জেব্রা ক্রসিং, আন্ডারপাস ইত্যাদি ব্যবহারে আরও সচেতন হতে হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলক। পাঠাওয়ের এই উদ্যোগের প্রশংসা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “সড়ক নিরাপদ রাখতে মানুষকে আইন মানতে সচেতন করতে হবে। জনসচেতনতা মূলক এই ধরনের উদ্যোগ সকল প্রতিষ্ঠানেরই নেওয়া উচিত।”
পাঠাওএর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর, মাননীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা বলেন, “সড়কে শৃঙ্খলা আনতে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। একজন রাইডারের যেমন দ্বায়িত্ব ঠিক ভাবে ড্রাইভ করা ঠিক একইভাবে যাত্রীদেরও সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। পাঠাও সব সময় তরুণদের অগ্রাধিকার দেয় তাই আমাদের তরুণ সমাজেরও উচিত নিজেদের দায়িত্বটা সুষ্ঠুভাবে পালন করা। গতি নিয়ন্ত্রনে রেখে, ট্রাফিক আইন মেনে সড়কে গাড়ি বা মোটর সাইকেল চালাতে হবে আমাদের।”
এছাড়া পাঠাওএর সিইও হুসেইন মো. ইলিয়াস বলেন “সচেতনতা বাড়াতে পাঠাও সবসময় স্বতস্ফূর্তভাবে কাজ করছে এবং রাইডার ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। পাঠাওতে রাইডার অন্তর্ভুক্ত করার পূর্বে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। বৈধ লাইসেন্স, মোটর সাইকেলের বা গাড়ির ফিটনেস এবং চালানোর দক্ষতা পরীক্ষার ভিত্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয় রাইড-শেয়ারিং সেবায়। এছাড়াও সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে পাঠাও। রাইডার এবং ড্রাইভারদের জন্য করা হচ্ছে চক্ষু পরীক্ষার ব্যবস্থা, রাইডারদের এবং যাত্রিদের জন্য হেলমেট দেয়া, হেলমেট এক্সচেঞ্জ এবং বিশেষ প্রশিক্ষণ। সড়ক দূর্ঘটনা সমস্যাগুলি সর্ম্পকে ব্যবহারকারী এবং চালকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর কাজ করে যাচ্ছে পাঠাও। উল্লখেযোগ্য, এই র্পযন্ত পাঠাও প্রায় ২৬,০০০ হেলমেট বিতরণ করেছে এবং হেলমেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে। অনুষ্ঠানে সড়কের নিরাপত্তা নিয়ে সচেতনতা তৈরী করতে একটি মঞ্চ নাটক পরিবেশন করে শিশু-কিশোরেরা একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) এর সৌজন্যে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
সারা দেশ পাতার আরো খবর

Developed by orangebd