ঢাকা : শনিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯

সংবাদ শিরোনাম :

  • একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ প্রকৌশলীর বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি          রাজধানীর ৬৪ স্থানে বাস স্টপেজ নির্মাণ হবে : কাদের          ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ৩ কোটি যুবকের কর্মসংস্থানের হবে : অর্থমন্ত্রী          দ্বীপ ও চরাঞ্চলে পৌঁছাচ্ছে ইন্টারনেট           সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে : স্পিকার          রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর          বাংলাদেশে আইএস বলে কিছু নেই : হাছান মাহমুদ
printer
প্রকাশ : ১৭ নভেম্বর, ২০১৯ ১৫:৩২:৫০আপডেট : ১৭ নভেম্বর, ২০১৯ ১৬:৩৮:১১
বিএনপির বেশিরভাগ নেতাই দলছুট : তথ্যমন্ত্রী
টাইমওয়াচ রিপোর্ট


 


তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির বড় বড় নেতা বেশিরভাগই হচ্ছে দলছুট। ১৭ নভেম্বর রবিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ভাসানী ঐক্যজোট আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও অন্য দল করতেন। রিজভী আহমেদও ছাত্রজীবনে অন্য দল করতেন। মওদুদ আহমদ সব দল করেছেন। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলতে চাই, তারা সবাই দলছুট নেতা। বিএনপির বড় বড় নেতা বেশিরভাগই হচ্ছে দলছুট।
মাওলানা ভাসানীর অনুসারীরা বেশিরভাগই আদর্শ ত্যাগ করে অন্য দলে চলে গেছেন— এমন দাবি করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপির বড় বড় নেতা অনেকেই মাওলানা ভাসানীর অনুসারী ছিলেন। যেখানে মাওলানা ভাসানীর ক্ষমতার জন্য কোনও লোভ ছিল না, তার কিছু অনুসারীর এরকম অধঃপতন সত্যি আমাদের পীড়া দেয়। বিএনপির অনেক বড় বড় নেতা যারা মন্ত্রী ছিলেন, যারা আজকে স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ভাইস চেয়ারম্যান, অনেকেই আছেন যারা মাওলানা ভাসানীর দল করতেন, তার অনুসারী ছিলেন। অর্থাৎ ক্ষমতার জন্য জিয়াউর রহমান যখন ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে দিলেন, তখন সেই ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট গ্রহণের জন্য, তারা দল ত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছিলেন। আবার অনেকে জাতীয় পার্টিতেও যোগ দিয়েছিলেন। অর্থাৎ তারা ক্ষমতার জন্য দল ত্যাগ করেছেন।
বিএনপি পেঁয়াজের মধ্যে আশ্রয় নিয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দলছুট নেতারা কয়েকদিন ধরে নানা কথা বলছেন। মির্জা ফখরুল বলেছেন— পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধিতে তারা সোমবার সারাদেশে বিক্ষোভ করবেন। আমি তাকে ধন্যবাদ জানাই, শেষ পর্যন্ত তাদের রাজনীতি খালেদা জিয়ার কোমর আর হাটু ব্যথা থেকে বের করে এনে তারা পেঁয়াজের মধ্যে আশ্রয় নিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘পেঁয়াজের এই উচ্চ মূল্য থাকবে না। প্রধানমন্ত্রী গতকাল বলেছেন, ‘বিদেশ থেকে বিমানে করে পেঁয়াজ আসছে।’ দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজও বাজারে এসেছে। সুতরাং খুব সহসাই পেঁয়াজের দাম কমে যাবে। তারা পেঁয়াজের মধ্যে আশ্রয় নিয়েছেন। এরপর কোথায় যায় সেটি হচ্ছে দেখার বিষয়। কারা এই পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে যুক্ত, তা বের করতে গোয়েন্দারা মাঠে নেমেছে। যারা এই পেঁয়াজের মূল্য বাড়িয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার। মানুষকে জিম্মি করে এভাবে ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ানো কোনোভাবেই ব্যবসার নীতি হতে পারে না। বিএনপি যে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে অপরাজনীতি থেকে পেঁয়াজে আশ্রয় নিয়েছে, এটি ভালো। আমি আপনাদেরকে অনুরোধ জানাবো, আপনারা অবশ্যই সরকারের সমালোচনা করুন। সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরুন। কিন্তু সরকার যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল, যেটি আন্তর্জাতিক মহল থেকে প্রশংসিত, সেটিও আপনারা করবেন।
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন— ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহে আলম মুরাদ, আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, ভাসানী ঐক্যজোটের সভাপতি এম এ ভাসানী প্রমুখ।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
রাজনীতি পাতার আরো খবর

Developed by orangebd